পাকিস্তানের পক্ষে আম্পায়ারদের হাস্যকর ভ ুল

Spread the love

ম্যাচে কোনো উত্তেজনা ছিল না। এ ম্যাচে আলোচনার জন্ম দেওয়ার মতোও কিছু ছিল না। পাকিস্তান ইনিংসের ১৩তম ওভারে তাই হয়তো আলোচনার খোরাক জোগানো হলো। ক্রিকেটের রিভিউ পদ্ধতিকে আরও একবার প্রশ্নের মুখে ফেলে দিলেন আম্পায়াররা।
এহসান খানের বলটা ইমাম-উল-হকের প্যাডে লাগতেই সজোরে আবেদন। কিন্তু আফগান আম্পায়ার অবাক করে দিলেন। প্রথমে মনে হলো ভুলে তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য নিতে যাচ্ছেন। কিন্তু হাতটা ওপরে তুলতে তুলতে কান চুলকালেন কিন্তু আউট দিলেন না। হংকং তাই রিভিউ নিল। রিপ্লেতে দেখা গেছে, বল প্যাডে আঘাত হানার আগে আলট্রাএজে স্পাইক উঠছে। যেটা বল ব্যাটে লাগার ইঙ্গিত দেয়। তৃতীয় আম্পায়ার রড টাকার তাই মাঠের সিদ্ধান্তকেই সঠিক বলে মেনে নিলেন।
মজার ব্যাপার হলো, বল যখন ব্যাট অতিক্রম করছিল, তখন কোনো স্পাইক ছিল না। অর্থাৎ ব্যাটে বল লাগেনি। বল ব্যাট পার করে যাওয়ার পর প্যাডে লাগার আগে স্পাইক দেখা গিয়েছে। যা ব্যাটসম্যানের প্যাড, বুট , ব্যাট থেকে সৃষ্টি হতেই পারে। কিন্তু বল যে ব্যাটে না লেগেই প্যাডে আঘাত হেনেছে সেটা নিশ্চিত। কিন্তু তৃতীয় আম্পায়ার মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতেই ব্যাটসম্যানকে আউট দিলেন না। ফলে ইমাম শুধু বেঁচেই যাননি, হংকংও তাদের রিভিউ হারিয়ে ফেলল।
১৬তম ওভারের প্রথম বলেই এই রিভিউর ব্যাপারটা বড় হয়ে উঠল। নাদিম হাসানের বলে এবারও এলবিডব্লু হয়েছিলেন ইমাম। এবার অন্য আম্পায়ার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। হংকংয়ের কাছে এবার আর কোনো রিভিউ না থাকায় এবারের সিদ্ধান্ত নিয়ে আর চিন্তায় পড়তে হয়নি তৃতীয় আম্পায়ারকে। দুটি ঘটনাতেই ধারাভাষ্যকাররা নিজেদের বিস্ময় লুকাতে পারেননি। কুমার সাঙ্গাকারা তো দুবারই আবেদনের সঙ্গে সঙ্গে আউট বলে দিয়েছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত বিপক্ষে যাওয়ার পরও নিজের মতে অটল ছিলেন এই কিংবদন্তি। পরে রিপ্লেতেও তাঁর সিদ্ধান্তই সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।
পাকিস্তানের মতো পরাশক্তি
র বিপক্ষে এমনিতেও অনেক পিছিয়ে থাকে হংকংয়ের মতো দলগুলো। এর মাঝে আম্পায়ারদের এমন হাস্যকর ভুল তাদের ম্যাচে ফেরার কিংবা ভালো খেলার সম্ভাবনাগুলোও নষ্ট করে দেয় এভাবেই। অতীতে বাংলাদেশকেও এর শিকার হতে হয়েছে বহুবার।

What is Your Opinion?

Leave a Reply

Your email address will not be published.