ঘাতক

Spread the love

লেখকঃ তন্ময়

(সাইকো যারা পছন্দ করেন নয়া এড়িয়ে যাবেন)
”ধ্যাত অহনা ফোন টা ধরছে না কেন?কতবার করে ফোন করে যাচ্ছি।’ কথা টা বলতে বলতে রাস্তায় থাকা পাথর টা লাথি মারলো রাজিব।অহনার সাথে রিলেশন মাত্র ৩ সপ্তাহের।এর মধ্যেই অহনা আরেকজনের সাথে প্রেম শুরু করে দিয়েছে।এর আগে রাজিবের এক বন্ধুর সাথে প্রেম ছিলো অহনার।এরপর ওই বন্ধুর সাথে ব্রেকাপ এর পর রাজিবের সাথে প্রেম শুরু করেছিলো।রাজিব সবকিছু জানে তারপর ও লোভ সামলাতে পারে নি।কিন্তু আজকে রাজিব মনে মনে ভাবছে রাতে
অহনাকে বলবে এইসব খেলা বন্ধ করতে।


রাতের বেলায় অহনাকে ফোনে বিজি পাচ্ছে রাজিব।১০ টা থেকে বারবার ফোন করেও পাচ্ছে না।একসময় রাত ১১ঃ৩০ টায় অহনা নিজেই কল দিলো রাজিব কে………
অহনাঃকি এতবার ফোন দেওয়া লাগে?বিজি দেখ না???
রাজিবঃবিএফদের সাথে কথা বলা শেষ হইসে????
অহনাঃমানে কি??তুমি আমাকে সন্দেহ করছো???তুমি এত নীচ???
রাজিবঃঅনেক হইসে অহনা আর কত???নিজের মানষিকতা টা বদলাও।প্রথমে আমার বন্ধুর সাথে তারপর আমার সাথে তারপর আরো কত কারো সাথে???কেনো এমন কর তুমি??শোধরাবা না নাকি হ্যা??ভালো হও নাহলে পরে পস্তাবা
অহনাঃযা থার্ড ক্লাস পোলা তোর কথা বলা লাগবে না।তোর মত লো কোয়ালিটির পোলাগো লগে কথা না বললেই কি?দেখি তুই আমার কি ** টা ফালাস……
রাজিবঃআচ্ছা ভালো থেকো। আল্লাহ হাফেজ
অহনাঃযা যা *****



৩ দিন পর
আজকে রাজিব সেহরি তে কলিজা ভুনা করেছে।দেখে খুব সুস্বাদু মনে হচ্ছে।খেতে গিয়ে বুঝলো এবারের কলিজা একটু বড় আর নরম।
দেখে খুব শান্তি লাগলো।খেতে বসে টিভী টা অন করেই রাজিব খবর শুনলো “গতকাল সকালে মিরপুর এলাকায় পানির ট্যাংক এ একটা মেয়ের ডেডবডি পাওয়া গেছে।মেয়েটার বুকের নিচে সম্পুর্ণ কাটা দাগ ছিলো।আর তার পোস্টমডার্ণ রিপোর্ট এ পাওয়া যায় তার কলিজা ছিলো নাহ।বিষয় তা ডিবি কে ভাবিয়ে তুলেছে……”
খবর তা শুনে রাজিব এর মুখে ধূর্ত হাসি ফুটে উঠলো
(এই গল্পের সমস্ত চরিত্র এবং স্থান,পাত্র সবই কাল্পনিক।বাস্তবের সাথে মিলে গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়)

What is Your Opinion?